Sunday, May 31, 2015

ড্র করেও ভারতসেরা মোহনবাগান

@ রী তে শ বৈ লদ্যা

৩১ শে মে ২০১৫, রবিবার সন্ধ্যায় ব্যাঙ্গালুরু এফ সি এর বিরুদ্ধে ১-১ এ খেলা শেষ করে মাথায় তাজ তুলে নিল সবুজ মেরুন। প্রথমার্ধে ব্যাঙ্গালুরুর জন জনসন্ ৪১ মিনিটের মাথায় গোল করে। ১-০ তে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে সবুজ মেরুন।

 ৮৬ মিনিটের মাথায় বেল্লো রেজ্জাক একটি হেড-এর সাহায্যে সমতায় আনে সবুজ মেরুনকে। শেষার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় ফলাফল ১-১ এ দাঁড়ায়। সময় শেষ, রেফারি বাঁশিতে জোর ফুঁ দিলেন,  ম্যাচ ড্র,  সবুজ মেরুনের মাথায় উঠল তাজ। সাথে সাথে উচ্ছাস। জয়ের আনন্দে মেতে উঠেছে কলকাতা তথা সারা বাংলা। 

১৩ বছর পর জাতীয় জয়ে খুশি সবাই। জয়ের খবর ছড়িয়ে পরতেই পাড়ায় পাড়ায় বিজ্য মিছিল বের করেন মোহন বাগান সমর্থকেরা। উত্তর কলকাতা, বিশেষ করে শ্যামবাজার, হাতিবাগান, পাইকপাড়া অঞ্চলে শোভা যাত্রা এবং বিজয় মিছিল বেশি পরিমানে লক্ষ্য করা যায় আজ সন্ধ্যায়। বিজয় মিছিল চোখে পড়লেও মোহন বাগানের এই বিজয় উৎসব কে ঘিরে কোনও গণ্ডগোলের খবর এখনও পাওয়া যায় নি। 
যাত্রী নিরাপত্তা কোথায় ? 
বজবজ লোকালে মহিলা কামরায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব

কালের_প্রবাহ@বজবজ

চলন্ত ট্রেনের মহিলা কামরায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। মারধরের পর গয়না, টাকা ও মোবাইল লুঠের অভিযোগ। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত সহযাত্রী।
একদিকে যাত্রী-দরবারে রেল কর্তারা। অন্যদিকে, রাতের লোকাল ট্রেনে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের শিকার মহিলা যাত্রীরা! লুঠপাট, মারধর। শুরুতেই হোঁচট খেল রেলমন্ত্রকের নিরাপত্তা পক্ষ পালনের উদ্যোগ।
বজবজ স্টেশন।
শনিবার রাত নটা পনেরো। শিয়ালদা থেকে দুই দুষ্কৃতী ডাউন বজবজ লোকালের মহিলা কামরায় ওঠে। ট্রেন ছাড়তেই স্বমূর্তি ধারণ করে দুষ্কৃতীরা। মহিলা যাত্রীদের টাকা-গহনা-মোবাইল ছিনতাই করার চেষ্টা করে তারা। লুঠপাটে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এক সহযাত্রী। কিন্তু তাঁর পরিণতি হয়েছে আরও ভয়ঙ্কর। মহিলা যাত্রীদের ওপর চড়াও হয় তারা। চলে চড়-থাপ্পর-কিল-ঘুঁষি। সঙ্গে অকথ্য গালিগালাজ। এরপর যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। পার্ক সার্কাসের ঢোকার মুখে ট্রেনের গতি কমলে উল্টো দিক দিয়ে নেমে চম্পট দেয় দুই দুষ্কৃতী। বজবজ লোকালের মহিলা যাত্রীদের অভিযোগ, চেন টানলেও ট্রেন থামেনি।
শিয়ালদা জিআরপি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে। কখনও উত্তরবঙ্গ...কখনও দক্ষিণবঙ্গ। সাম্প্রতিককালে বারবার চলন্ত ট্রেনে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছে। এবার খাস কলকাতা। রেলের নিরাপত্তাপক্ষ চলাকালীনই প্রশ্নের মুখে যাত্রীসুরক্ষা।

ধর্ষকের হুমকিতে আত্মহত্যা ধর্ষিতার : তীব্র উত্তেজনা কালিয়াগঞ্জে

কালের_প্রবাহ@কালিয়াগঞ্জ

ধর্ষণে অভিযুক্তর হুমকিতে নিগৃহীতার আত্মহত্যার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার বাঘন-বটতুলি গ্রামে। পলাতক মূল অভিযুক্ত। অভিযোগকারিণী সাক্ষ্যদান করে আদালত থেকে বেরোনোর পর ওই অভিযুক্তর শাসানি ও অপমানের জেরেই আত্মহত্যা, দাবি পরিবারের।

প্রতিকি ছবি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর। কালিয়াগঞ্জ থানার বাঘন-বটতুলি গ্রামের বাসিন্দা ওই অভিযোগকারিণী কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে তার প্রতিবেশী শ্রীমান সরকারের বিরুদ্ধে। প্রথমে গ্রামে সালিশি সভা করে টাকা-পয়সার বিনিময়ে মিটমাট করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় নিগৃহীতাকে। তারপর থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে, ওই যুবকের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়। এরপর ওই যুবক জামিনে মুক্ত হয়ে যান। এরপর কেটে যায় প্রায় দেড় বছর। শনিবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতে ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যদান করতে যায় ওই কিশোরী। অভিযোগ, সাক্ষ্যদান করে পরিবারের সঙ্গে ওই কিশোরী আদালতের বাইরে আসা মাত্রই তার উপর দলবল নিয়ে চড়াও হয় অভিযুক্ত শ্রীমান সরকার। সকলের সামনেই গালি-গালাজ করে অভিযোগকারিণীকে।
মৃতের পরিবারের দাবি, অপমানের জন্যই বাড়ি ফিরে এসে গলায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই কিশোরী। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে রায়গঞ্জ থানায়। পলাতক অভিযুক্ত শ্রীমান সরকার। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের অভিযোগ অব্যাহত। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবায় কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ৩ যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার হয় ৪জন অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার গণধর্ষণের অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে। গ্রেফতার হয় ৩জন। এই পরিস্থিতিতে ধর্ষণের অভিযোগকারিণীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে মহিলাদের নিরাপত্তা।
সুস্থ থাকতে প্রতিদিন প্রয়োজন কলা
 দেখে নিন কলার অজানা উপকারিতা
@প্রিয়াঙ্কা রায়
আপনি কি কলা খেতে ভালবাসেন? যদি বাসেন তবে এই লেখা পড়ার পর আপনার ভালবাসা বাড়বে বই কমবে না। আর যদি না বাসেন, তবে ভালবাসতে শুরু করবেন কিনা জানি না, তবে হ্যাঁ, কলার প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য। মুহূর্তের মধ্যে এনার্জি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। কিন্তি তা ছাড়াও যে প্রচুর কাজ করে কলা। জেনে নিন কলার বহুগুণ-
অবসাদ
অবসাদে ভোগা কিছু মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে কলা খেলে ভাল বোধ করেন তারা। কলার মধ্যে থাকা ট্রিপটোফ্যান প্রোটিন মানুষের শরীরে পরিণত করে সিরোটোনিন হরমোনে। সিরোটোনিন হরমোন অফ হ্যাপিনেস নামে পরিচিত। শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বাড়লে মুড ভাল হয়ে রিল্যাক্স বোধ করে মানুষ। মুড অফ একটি অতি পরিচিত প্রি-মেন্সট্রয়াল সিনড্রোম। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি৬ শরীরে গ্লুকোজের সামঞ্জস্য বজায় রেখে মুড ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
অ্যানিমিয়া
কলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উত্‍পাদনে সাহায্য করে। ফলে অ্যামিনিয়ার সম্ভবনা কমে। এমনকী, অ্যামিনিয়া সারাতেও সাহায্য করে কলা।
রক্তচাপ
কলার মধ্যে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি অথচ নুনের মাত্রা কম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা রুখতে পারে কলা। ইউ ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কলার এই গুণের কথা মাথায় রেখে স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে কলার ব্যবহার সুপারিশ করেছে।
মস্তিষ্ক
টানা ১ বছর ধরে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল ইংল্যান্ডের টুইকেনহ্যাম স্কুলের ২০০ জন পড়ুয়ার ওপর। পরীক্ষার আগে টানা ব্রেকফাস্ট, ব্রাঞ্চ ও লাঞ্চে কলা খাওয়ানো হয় তাদের। দেখা গিয়েছিল কলার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম তাদের মনসংযোগ বাড়ানোর ফলে অন্যদের থেকে পরীক্ষায় ভাল করেছিলেন ওই ২০০ জন পড়ুয়া।
কনসটিপেশন
কলার মধ্যে প্রচুর পরিমান ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার রাখতে কলা অপরিহার্য্য।
হ্যাংওভার
আগের রাতের অতিরিক্ত মদ্যপানের হ্যাংওভার কাটাতে বানান মিল্কশেকের কোনও তুলনা নেই। সঙ্গে যদি থাকে ১ চামচ মধু। কলা শরীরের অস্বস্তি কমায়, দুধ পেট ঠান্ডা করে ও মধু বজায় রাখে রক্তে শর্করার মাত্রা।
ফলে অম্বলের হাত থেকেও রেহাই পায় শরীর।
মর্নিং সিকনেস
কাজের চাপ, মানসিক চাপে অনেক সময়ই সকালে ঘুম থেকে উঠে অসুস্থ বোধ করি আমরা। রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকায় কম থাকে এনার্জির মাত্রাও। এই সময় কলা বজায় রাখতে রক্তে শর্করার সঠিক মাত্রা।
মশার কামড়
মশার কামড়ে ফুলে, লাল হয়ে ওঠা ত্বকের যত্ন নিতে ক্রিম বা অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করার আগে কলার খোসা ঘষে দেখুন ত্বকের ফুলে ওঠা অংশে।
স্নায়ু
কলায় থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি যা স্নায়ুকে শান্ত করে। মানসিক চাপ কাটাতে ফ্যাটি ফুডের থেকে বেশি প্রয়োজনীয় কলা। কার্বোহাইড্রেটে পরিপূর্ণ হওয়ায় কলা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রেখে স্নায়বিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
আলসার
নরম ও মিহি হওয়ার জন্য পেটের সমস্যায় খুবই উপকারী খাবার কলা। অত্যন্ত খারাপ পেটের রোগেও কলাই একমাত্র ফল যা নির্বিঘ্নে খাওয়া যেতে পারে। কলা অস্বস্তি কমিয়ে আরামদায়ক অনুভূতি দেয়।

তাপমাত্রা নিয়নন্ত্রণ
অনেক দেশে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে কলা ব্যবহার করা হয়। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জ্বর হলে ওষুধের বদলে খাওয়ানো হয় কলা। তাইল্যান্ডে গর্ভস্থ সন্তানের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে কলা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।
সানির 'ওয়াট' লাগাতে সম্মুখসমরে রাখি

@প্রিয়াঙ্কা রায়

রাখি সাওান্ত নাকি সানি লিওনের 'ওয়াট' লাগাতে চলেছেন। কিন্তু হঠাৎ এমন কি হল যাতে এতটাই চটেছেন বলিউডের এককালীন 'আইটেম গার্ল' রাখি সাওয়ান্ত। যে রাখি কাউকেই তোয়াক্কা করেননা তাঁর হঠাৎ এই মতিভ্রম? আসলে সানি আসাতে বলিউডের বাজার কমেছে রাখির। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়েছেন তিনি। সানিকে টেক্কা দিতে নিজেকে আরও গ্ল্যামারস করতে তাই ছোট ছোট জামাকাপড় পরতে হচ্ছে তাকে। রাখির বক্তব্য, ''কিছু জিনিস ভেতরে থাকা উচিত , আর কিছু জিনিস বাইরে আনা দরকার"। আরও একধাপ এগিয়ে রাখি বলছেন, "আমি ভারতীয় নারী, আমি রাজনীতিতেও এসেছি। আমাকে এমন হতে বাধ্য করছে ও"।

 সানি যেন ভারত থেকে চলে যায় এমন উক্তিও করেছেন রাখি। শুধু ভারত থেকে নয় রাখি চান সানি যেন ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেই চলে যান। তাহলে অবশেষে আইটেম গার্ল থেকে রাজনীতিতে আসা রাখি এবার যুদ্ধে নামলেন সানি লিওনের বিরুদ্ধে।
ম্যাগির জন্য মাধুরীকে নোটিশ
@অবিন মিত্র
দু'মিনিটের চট জলদি নুডলসের বিজ্ঞাপন করতে গিয়ে এবার বিপাকে পড়লেন মাধুরী দীক্ষিত। নেসলে ইন্ডিয়ার বিজ্ঞাপনে মুখ দেখানোর উত্তরাখণ্ডের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মাধুরীকে নোটিশ ধরাল। গত কিছুদিন ধরেই ম্যাগিতে অতিরিক্ত লেড ও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে চলছে বিবিধ পরীক্ষানিরীক্ষাও।
১৫ দিনের মধ্যে এই বলিউড তারকাকে নোটিশের জবাব দিতে হবে। জানাতে হবে কিসের ভিত্তিতে এই বিজ্ঞাপনে তিনি ম্যাগির নিউট্রিশন ভ্যালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন।
উত্তরাখণ্ডের খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিক মহিমানন্দ জোশি জানিয়েছেন ১৫ দিনের মধ্যে মাধুরীর নোটিশের উত্তর না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।
এই মাসের প্রথমেই লখনউতে ম্যাগি নুডলসের কিছু স্যাম্পলে মাত্রারিক্ত মোনো সোডিয়াম গ্লুটামেট ও লেড পাওয়া গেছে বলে দাবি করে উত্তরপ্রদেশের ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এই অতিরিক্ত পরিমাণ মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ও লেড শরীরের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক, বিভিন্ন অঙ্গ বিকল করার ক্ষমতা রাখে।
উত্তরপ্রদেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বাজার থেকে সরকারি নির্দেশে সরিয়ে ফেলতে হয় ম্যাগি। যদিও নেসলে ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।


অবিন মিত্র
প্র ধা ন  স ম্পা দ ক

বি এ (ইংরেজি সাহিত্য) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
বি এ ও ম্যানেজমেন্ট (সাংবাদিকতা) সিকিম মণিপাল বিশ্ববিদ্যালয়।
যোগাযোগ :  ৭২৭৮৪৫০১৬০  ই-মেইল  :  contact.kaalerprobaho@gmail.com



প্রিয়াঙ্কা রায়
স হ কা রী  স ম্পা দ ক

প্রধান সম্পাদক (বার্তা বিভাগ) কালের প্রবাহ।
বি এ ও ম্যানেজমেন্ট (সাংবাদিকতা) সিকিম মণিপাল বিশ্ববিদ্যালয়।
যোগাযোগ : ৯৬০৯৭৬৬১৪৪ ই-মেইল :contact.kaalerprobaho@gmail.com
রবিবার বাঙালি মানেই মাছ-মাংস সহযোগে তৃপ্তির আহার। আর সে ভাত দিয়ে হোক বা পড়টা। তাই আজ "খাই খাই" এর পরিবেশনে সকলের জন্য চিকেন কোরমা র রেসিপি সন্ধান দিলেন অরুন্ধতী দেবনাথ। 

অনুলিখনে প্রিয়াঙ্কা রায়।

উপকরণ -
মুরগির মাংস ১/২ কেজি।
সাদা তেল  ১ কাপ।
চিকেন কোরমা
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ।
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ।
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ।
জিরে গুরো ১ টেবিল চামচ।
ধনে গুরো ১ টেবিল চামচ।
৪টে বড় এলাচ।
ফেটানো টক দই ১/২ কাপ।
দুধ ১ কাপ।
পাতি লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ।
কিসমিস ১ টেবিল চামচ।
গরম মশলা ১/২ টেবিল চামচ।
নুন ও মিষ্টি স্বাদ মতো।

প্রথমে কড়াই তে সাদা তেল দিয়ে , তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজ দিয়ে ব্রাউন করে ভাজতে হবে। তারপর তাতে রসুন বাটা আদা বাটা, জিরে - ধনে গুরো , বড় এলাচ,নুন মিষ্টি আন্দাজ মতো দিয়ে ভালো করে নেড়ে কষাতে হবে। তেল ছাড়তে থাকলে তাতে মাংস , দুধ , দই দিয়ে দিতে হবে। তারপর ভালো করে নেড়ে ১০ - ১৫ মিনিট কম আঁচে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। এবার পাতি লেবুর রস, কেওড়া জল, কিসমিস, দিয়ে আবার ভাল করে নাড়তে হবে। এরপর গরম মশলা গুরো দিয়ে নামিয়ে গরম গরম রুটি বা পরটার সাথে পরিবেশন করুন।

Saturday, May 30, 2015


আগামী ২৪ জুন দেশজুড়ে ফের স্তব্ধ হতে চলেছে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা

@অবিন মিত্র 

আগামী ২৪ শে জুন ফের ধর্মঘটে স্তব্ধ হতে চলেছে সারা দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। বেতন কাঠামোর পুনঃবিন্যাস সহ একাধিক দাবিতে এবার সারা দেশ জুড়ে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট ডাকল স্টেট সেক্টর ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন (SSBEA)।


SSBEA সুত্রে জানানো হয়েছে State Bank of India এবং তাদের সহযোগী State Bank of Bikanir - Jaipur, State Bank of Tribankur, State Bank of Hyadrabad, State Bank of Mysore এর সবকটি শাখা এ টি এম সহ বন্ধ থাকবে। ওই দিন কোনও পরিষেবা পাবেন না গ্রাহকেরা। এর জন্য আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতেও বলা হয়েছে সংগঠন সুত্রে। 

সংগঠন এর পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে যে শুধুমাত্র  বেতন কাঠামোর পুনঃ বিন্যাস এর দাবিতে এই ধর্মঘট নয়, গ্রাহক স্বাচ্ছন্দ্য এবং আরও নতুন নতুন পরিষেবা চালু করার দাবিতেও এই ধর্মঘট। তাদের সব দাবি মানা হলে আখেরে গ্রাহকরাই লাভবান হবে বলেও জানান SSBEA এর এক কর্তা।

Friday, May 29, 2015

হাসিনা - ইয়েচুরি বৈঠকে উঠল জ্যোতি বসুর কথা

@অবিন মিত্র
মোদি-মমতার বাংলাদেশ সফরের আগে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর উদ্যোগে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, আর এবার মোদি-মমতার বাংলাদেশ সফরে স্থল সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগে হাসিনা-ইয়েচুরি বৈঠকে উঠে এল প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গ।

সিপিএমের তরফে জারি করা প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনা জ্যোতি বসুর প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, গঙ্গার জলবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরে প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে সাহায্য করেছিলেন তাঁকে। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের সময় জ্যোতি বসুর ভূমিকারও প্রশংসা করেন হাসিনা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির আমন্ত্রণে দু’দিনের ঢাকা সফরে গিয়ে শুক্রবার রাতেই শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির আসন্ন ঢাকা সফরের মধ্যে দিয়ে দু’দেশের বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসবে। একই আশা প্রকাশ করেন হাসিনাও।

মোদির সঙ্গে মমতা বাংলাদেশে গেলেও যাচ্ছেন না ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মতোই ত্রিপুরাতেও বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। ৬ ও ৭ জুন দিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক থাকায় যেতে পারছেন না মাসিক সরকার। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ২০১১ সালে মনমোহন সিংহ যখন বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন তখন শেষ মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে যাওয়া বাতিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু গিয়েছিলেন মানিক সরকার। আবার এবার মোদির সঙ্গে মমতা যাচ্ছেন, কিন্তু মানিক নেই। ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়টিও হাসিনা-ইয়েচুরি বৈঠকে ওঠে।
প্রথম দশে ১৯ নরেন্দ্রপুর : পাশের হারেও দাপট জেলার

@প্রি য়া ঙ্কা রা য়

প্রকাশ হল ২০১৫ সালের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫৮ দিনের মাথায়,আজ সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ করলেন সংসদ সভাপতি। এই বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮ লক্ষ ২৩ হাজার ২৪১ জন। যার মধ্যে মোট পাশের হার ৮২.৯৬%। যা ২০১৪ এর তুলনায় ৪.৫৪% বেশী।
২০১৫ উচ্চ মাধ্যমিক এ প্রথম
 বিল্বশিব বসু মল্লিক

২০১৫ সালের উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম স্থান পেলো বিল্বশিব বসু মল্লিক (৯৯.২)%,

দ্বিতীয় স্থান পেলো শেখ মণিরুল মণ্ডল (৯৮.২)%,

তৃতীয় স্থান পেলো মৃন্ময় রায় (৯৭.৮)%।

প্রত্যেকেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র। 

এছাড়াও প্রথম ১০ জনের ১৯ জনই নরেন্দ্রপুরের ছাত্র। সুতরাং ২০১৫ এর উচ্চমাধ্যমিকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের জয় জয়কার।

এছাড়াও পাশের হার সর্বাধিক পূর্ব মেদীনিপুরে। এই তালিকায় পাঁচে কলকাতা।

মেধা তালিকায় প্রথম দশ।


স্থাননামবিদ্যালয়নম্বরশতাংশ
বিল্বশিব বসুমল্লিকনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৯৬৯৯.২%
শেখ মণিরুল মণ্ডলনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৯১৯৮.২%
মৃন্ময় রায়নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৯৯৭.৮%
প্রবিত্র প্রামাণিকনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৭৯৭.৪%
আকাশ দাশগুপ্তনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৭৯৭.৪%
আমিনুল এহেসন বংশিহারি হাইস্কুল দঃ দিনাজপুর৪৮৭৯৭.৪%
অভীক হালদারনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৬৯৭.২%
রক্তিম মিত্রনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৬৯৭.২%
অরিন্দম সাউনরেন্দ্র পুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৫৯৭%
অনিশ কুমার বসুউত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠ৪৮৫৯৭%
সঞ্জয় কৃষ্ণ সাহাশিলিগুড়ি বয়েস হাইস্কুল৪৮৫৯৭%
দীপায়ন বিশ্বাসপাচগাছি মনোহর বহল বিবেকানন্দ বিদ্যায়াতন৪৮৫৯৭%
সৌমেন্দু মণ্ডলরামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল হাইস্কুল৪৮৫৯৭%
দীপায়ন ভট্টাচার্য নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮৪৯৬.৮%
 দেবজ্যোতি চক্রবর্তী রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির, মালদা৪৮৩৯৬.৬%
 রিখিয়া ভুক্তাআরামবাগ গার্লস হাই স্কুল৪৮৩৯৬.৬%
অনীক দাসবজবজ পিকে হাইস্কুল৪৮৩৯৬.৬%
 প্রণিত দত্তবি টি গভর্নমেন্ট হাই স্কুল৪৮২৯৬.৪%
ইন্দ্রাশিস গুননরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮২৯৬.৪%
মাহির আখতারনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮২৯৬.৪%
অর্ণব সিংহরায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুল৪৮২৯৬.৪%
দিগন্ত সরকারনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮২৯৬.৪%
উত্তীয় মাঝিনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮২৯৬.৪%
ত্রিদীপ প্রতিহারসিঙ্গুর মহামায়া হাইস্কুল৪৮২৯৬.৪%
পরাগ দাসনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮২৯৬.৪%
১০নীলাশা ঘোষযাদবপুর বিদ্যাপীঠ৪৮১৯৬.২%
১০ঋকজ্যোতি হাতিনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮১৯৬.২%
১০সোমতীর্থ রায়নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮১৯৬.২%
১০অনীক মিত্রনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮১৯৬.২%
১০জয়জিৎ পালবর্ধমান টাউন স্কুল৪৮১৯৬.২%
১০তুহিন বন্দ্যোপাধ্যায়নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮১৯৬.২%
১০সুভদ্রা চক্রবর্তীচুঁচুড়া বালিকা বাণী মন্দির৪৮১৯৬.২%
১০পার্থসারথি ঘোষনরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন৪৮১৯৬.২%
১০অর্কপ্রভ মহাপাত্রকেদুয়া ডিহি হাইস্কুল, বাঁকুড়া৪৮১৯৬.২%
১০শঙ্খদীপ ঘোষমেমারি ভি এম ইন্সটিটিউট, ইউনিট-২, বর্ধমান৪৮১৯৬.২%

Thursday, May 28, 2015

দলনেত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ মদনের

@অবিন মিত্র

আশায় ছিলেন খুব সহজেই জামিন পেয়ে যাবেন তিনি, কিন্তু আশা ভঙ্গ হতেই এবার তৃনমূল দল ও খোদ দলনেত্রীর বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন তৃনমূল সরকারের জেল বন্দী পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্র। গতকাল উডবার্ন ওয়ার্ডে তার দায়িত্বে থাকা হাসপাতাল কর্মী দের সামনেই ক্ষোভ উগ্রে দেন তিনি।

মদন মিত্র। ফাইল চিত্র।
জামিন নাকচ হয়ে যাওয়ার খবর শুনে তিনি চীৎকার করে বলতে থাকেন ‘‘কুণালের মতো আমাকেও বলি করা হচ্ছে।... কোথায়, কী বোঝাপড়া হয়েছে— সবই আমার জানা আছে।’’ এর পরেও টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন ‘‘দলনেত্রীর উপরে অগাধ আস্থা রাখারই ফল পাচ্ছি। সবাই বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি জেলে পচছি।’’ হাসপাতাল কর্মীরা তাকে থামানর চেষ্টা করলেও তিনি বলতে থাকেন ‘‘এত দিন জেলে রয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর কথা না হয় বাদ দিচ্ছি, এক জন মন্ত্রীও আসেনি দেখা করতে! কেউ ফোন করেও বড় একটা খবর নেয় না। সবাই কি ভয় পেয়ে গেল? মনে করছে, মদনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সিবিআই ডাকতে পারে?’’ এরপর ব্যাঙ্গ করে তিনি বলেন ‘‘জেল থেকে বেরোলে তো ওরাই নানা সাহায্য চাইতে আসবে।’’ রাজনৈতিক মহলের মতে এরকম ঘটনা ঘটাই স্বাভাবিক দীর্ঘদিন বন্দী থাকার পর। যদিও মন্ত্রীর আইনজীবী নীলাদ্রি ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমার মক্কেলকে এ রকম তিরিক্ষি মেজাজে কখনও দেখিনি।’’
রাজসাক্ষী কে ? 
সিবিআইয়ের নজরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট


@অ বি ন  মি ত্র
আবারও বোধহয় নাটকীয় মোড় নিতে যাচ্ছে সারদা তদন্ত। সূত্রের খবর, নতুন করে গা ঝাড়া দিতে চলেছে সিবিআই। জুন-জুলাইয়েই সম্ভবত ডাকা হবে তৃণমূলের একাধিক নেতা মন্ত্রীকে। কয়েকজনের গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে। ফের ডাকা হতে পারে মুকুল রায়কেও। সিবিআই সূত্রে খবর, এক বড়সড় নেতা রাজসাক্ষীও হতে পারেন।


অপরদিকে ফের সিবিআইয়ের নজরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। এবার ব্যাঙ্কের কাছে ত্রিনেত্র লেনদেন সংক্রান্ত নথি চাইল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। একইসঙ্গে, আরও তিনটি অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে চেয়ে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ককে চিঠি দিচ্ছে সিবিআই।
 
তৃণমূলের তরফে আয়ব্যয়ের যে নথি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তার থেকে চারটি অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছে সিবিআই। এরমধ্যে একটি তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিলের অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টেই ত্রিনেত্র থেকে আসা টাকা জমা পড়েছিল।
সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরের লেনদেনের তথ্য জানতে চেয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন, তৃণমূলের আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে আয়কর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সিবিআই।
ফেসবুকে ভাইঝি বিরোধে এগিয়ে বামেরা

#Reports_from_Wall@অবিন মিত্র

"পুলিশ ও সাংবাদিকের অশিক্ষিত এবং অর্ধ শিক্ষিত। এবার পথে পেলে পিষে মারব।" এরকমই একটি মন্তব্য কলকাতার মেয়রের ভাইঝি করেছেন বলে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক।
সম্প্রতি ওই ঘটনার পর টুইটারে মেয়রের ভাইঝির অনেক টুইটস দেখা যাচ্ছিল। ভাইঝি দেবপ্রিয়ার বহু টুইট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় সমালচনা ও বিতর্কের ঝড় ওঠে। ধিক্কার জানান অনেকে। এরপর মাঝে বেশ কিছু দিন দেবপ্রিয়ার টুইটার একাউন্ট ডি অয়াক্টিভেট করা ছিল। সম্প্রতি তার টুইটার হ্যান্ডেল আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর তার টুইট নিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হয়।
সি পি আই (এম) সমর্থক দের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা গ্রাফিক্স।
সম্প্রতি দেবপ্রিয়া নাকি টুইট করেছেন "পুলিশ ও সাংবাদিকের অশিক্ষিত এবং অর্ধ শিক্ষিত। এবার পথে পেলে পিষে মারব" এমন একটি মন্তব্য। এক মহিলার সাথে কথোপকথনে নাকি উঠে এসেছে তার এই মন্তব্য। এমনই দাদি করা হচ্ছে ফেসবুকে সি পি আই (এম) সমর্থক দের একটি পেজ থেকে। দেবপ্রিয়ার টুইট এর স্ক্রিন শট নিয়ে গ্রাফিক্স করে তার মন্তব্য গুল বাংলায় পোস্ট করা হয়েছে ওই গ্রুপ থেকে। সাথে ব্যাঙ্গ করা বলা হয়েছে - ছোট খুকি বলে অ, আ, শেখেনি সে কথা কওয়া।  প্রশ্ন করা হয়েছে - মুখ্যমন্ত্রীর উস্কানিতেই কি এই বেপ্রয়া আস্ফালন বাচ্চা মেয়েটির ? আর তাতেই সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। ২৬২ টা লাইক, ৬৬ টা শেয়ার আর কমেন্ট এর ঝড় বয়ে গেছে।
এই ঘটনা নিয়ে বিরধী বিজেপি ও কং খানিকটা ফেসবুক এ ঝড় তুলতে চেষ্টা করলেও তা এখন স্তিমিত।
যদিও এই ঘটনার ব্যাপারে তৃনমূল সমর্থক দের ফেসবুক পোস্ট তেমন ভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি।

Wednesday, May 27, 2015

টুইটারে প্রবল নিন্দা, সমালোচকদের চড় মেরে শিক্ষা দেওয়ার হুমকি মেয়রের ভাইঝির 

@ অ বি ন  মি ত্র
ফের বিতর্কে কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ভাইঝি দেবপ্রিয়া চট্টোপাধ্যায়। এবার টুইটারে সমালোচকদের কটূক্তি করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশ নিগ্রহের পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচককে চড় মারার হুমকি দিলেন তিনি।
ভাইঝি দেবপ্রিয়া। ছবি টুইটার পেজ থেকে।
চার বন্ধুর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে প্রথমে পথচারীকে ধাক্কা। অদূরে, রাসবিহারী মোড়ে ট্রাফিক আইন ভাঙার পর উল্টে ‘বংশ-পরিচয়’ জাহির করে পুলিশকেই নিগ্রহ করার অভিযোগ। যার প্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন ধরেই খবরের শিরোনামে দেবপ্রিয়া।
অথচ, গোটা ঘটনায় তাঁর ওপর যে কোনও প্রভাব পড়েনি, তা আরও একবার প্রকট হয়ে উঠল। তাঁকে নিয়ে চারিদিকে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে, তখন সমালোচকদের পাল্টা আক্রমণ করতে সেই ‘বংশ-পরিচয়’কেই হাতিয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় সেই ‘বাচ্চা মেয়ে’টি।
ঘটনার সূত্রপাত টুইটারে। সেখানে এক মহিলা পুলিশ-নিগ্রহ কাণ্ড নিয়ে মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে দেবপ্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। দেবপ্রিয়ার টুইটার হ্যান্ডল ‘@chattydebby’-কে উদ্দেশ্য করে ওই মহিলা বলেন, ‘মেয়রের ভাইঝি হওয়ার জন্য শুভেচ্ছা। যার জেরে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর কেসে পুলিশকে চড় মারতে (নিগ্রহ) পারেন তিনি।’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘অপেক্ষা করছি, এবার কোনও এক বঙ্গ-সাম্মানিক অভিজিৎ হয়ত প্রশ্ন তুলবেন, রাস্তার মাঝে ট্রাফিক সিগন্যাল কী করছিল?’
ফের বয়কট রাজনীতিতে ফিরল তৃনমূল ? 
অভিযোগ - পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

@ অ বি ন  মি ত্র

"উন্নয়নে ফের রাজনীতির রঙ আনল তৃনমূল", শিলিগুরি পুর নিগমের বিষয়ে মহাকরণে মন্ত্রী দের সাথে কথা বলতে এসে এই অভিযোগ করলেন শিলিগুড়ির নবনির্বাচিত মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য।

মহাকরণের বাইরে অশোক ভট্টাচার্য। বুধবার।
আগে থেকে পত্র মারফত সময় নিয়ে রাজ্যের জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী সুব্রত মুখাজী ও পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরাদ হাকিমের সাথে দেখা করতে বুধবার মহাকরণে আসেন অশোক বাবু। কিন্তু অপেক্ষাই সার। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে এক সচিবের সাথে অল্প কিছুক্ষণ কথা বলে তিনি ফিরে যান। পরে সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর বৈঠক সেরে শিলিগুড়ি ফেরার পথে তিনি বলেন, "আমি দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী ছিলাম। সে সময়ে কলকাতা পুরসভার দরকারে মেয়র সুব্রত মুখারজী দেখা করতে এলে তাকে আমার পাশের চেয়ারে বসাতাম। ববিও কোন কাজে এলে কখনও ফেরাইনি। অথচ আজ আমি আগে থেকে সময় নিয়েই এসেছিলাম এবং ওরাও দেখা করতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু আর দেখা করলেন না। আমি শিলিগুড়ির মানুষের স্বার্থে কথা বলতে এসেছিলাম, ওনারা শিলিগুড়ি বাসীদের অপমান করলেন।"
সুব্রত মুখারজী ও ববি হাকিম। ফাইল চিত্র।
অশোক বাবুর আনা এই অভিযোগের পরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সাংবাদিকদের পুর মন্ত্রী ও জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী বলেন, এখন বিধান সভা অধিবেশন চলছে, তা আগেই অশোক বাবুকে জানান হয়েছিল। আমরা বিধাসভাতেই ছিলাম। উনি চাইলে আসতেই পারতেন। কথা বলতা্তেইএ বিষয়ে অশোক বাবু বলেন, আমাকে সময় দেওয়া হয়েছিল মহাকরণে দেখা করার জন্যই।
রাজনৈতিক মহলের মতে শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে মেয়রের সাথে দেখা করতে ইছুক ছিলেন  জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী সুব্রত মুখাজী ও পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম। কিন্তু দলনেত্রীর নির্দেশে তারা পিছিয়ে এলেন। অর্থাৎ তৃনমূল সেই বাম বয়কটের পথেই গেল। যদিও তৃনমূল সুত্রে জানান হয়েছে এদিন বিধান সভায় দিনহাটার পুর চেয়ারম্যান উদয়ন গুহের সাথে দেখা করেছেন দুই মন্ত্রী। সুতরাং বয়কটের প্রশ্নই ওঠে না। আবার সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, শিলিগুড়ির মেয়রের সাথে দেখা করলে ওই দুই মন্ত্রীর চাকরি চলে যাওয়ার ভয় আছে। তাই এই উপেক্ষা।
এর পরেও শিলিগুড়ি ফেরার আগে মেয়র অশোক বাবু বলেন, "শিলিগুড়ির মানুষের জন্য ফের আসব দেখা করতে।"
নমো সরকারের বর্ষ পূর্তিতে রাগার আমেঠীতে সভা স্মৃতি ইরানির

বেঙ্গল টাইমস - রাহুল গান্ধীর কেন্দ্রে এবার তাঁকে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নিল বিজেপি। সরকারের এক বছরে তাঁর কেন্দ্রে পাঠানো হল কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে।
গত বছর লোকসভা নির্বাচনে আমেঠিতে রাহুলের বিরুদ্ধে স্মৃতিকেই প্রার্থী করেছিল বিজেপি। নির্বাচনে হেরে যান স্মৃতি। তা সত্ত্বেও তাঁকে মন্ত্রী করা হয়। রাজ্যসভা থেকেই মন্ত্রী হন স্মৃতি। স্মৃতি কথা দিয়েছিলেন, হেরে গেলেও আমেঠির সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে। সরকারের বর্ষপূর্তিতে তাই বেছে নিলেন আমেঠিকেই।
আমেঠির বিভিন্ন জায়গায় সভা করলেন স্মৃতি। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসা বিমা যোজনায় বছরে বারো টাকার প্রিমিয়াম দিলে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত সাহায্যের কথা বলা হয়েছে। সেই প্রকল্পের প্রচার করে স্মৃতি একেক জায়গায় পাঁচ হাজার কৃষকের এক বছরের প্রিমিয়াম দিলেন। এভাবেই পাঁচ জায়গায় ২৫ হাজার কৃষকের প্রিমিয়াম দিলেন। স্মৃতি বললেন, ‘এটা সরকারি টাকা নয়। আপনারা আমাকে দিদি ও বোনের মর্যাদা দিয়েছেন। তাই আপনাদের প্রতি আমারও দায়িত্ব আছে। নিজের সঞ্চয় থেকেই এই টাকা দিচ্ছি।’ পাশাপাশি বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন। নতুন রেল লাইন, নতুন ট্রেনের কথাও উঠে আসে। তাঁর কথায়, দশ বছরে যা হয়নি, তা দশদিনে হয়ে গেল। এবার আমেঠি ও রায়বেরিলির বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন ট্রেন চলবে।’ রাজনৈতিক মহলের মতে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কৃতিত্ব যেন রাহুল গান্ধী না নিতে পারেন, তাই স্মৃতি আগাম সেগুলি ঘোষণা করে দিলেন।
এবার থেকে বম্বেবাসী ব্যারেটো

বেঙ্গল টাইমস - এই শহর জানে আমার প্রথম সবকিছু। যে শহরের সঙ্গে প্রায় ষোল বছরের সম্পর্ক, সেই শহর সম্পর্কে এমন গান গাইতেই পারেন হোস র‍্যামিরেজ ব্যারেটো। সেই সম্পর্ক এবার ছিন্ন হতে চলেছে। কলকাতা ছেড়ে এবার মুম্বইয়ের বাসিন্দা হতে চলেছেন এই ব্রাজিলীয় ফুটবলার।
খেলা ছাড়ার পর ভেবেছিলেন, মন দিয়ে কোচিং করবেন। গত বছর যোগ দিয়েছিলেন অ্যাটলেটিকো দি কলকাতায়। বেশ মোহভঙ্গই হয়েছে এই ব্রাজিলীয় ফুটবলারের। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, তাঁকে নেওয়া হয়েছে সহকারি কোচ হিসেবে। অথচ, ফুটবলার নিয়োগ থেকে শুরু করে, টেকনিক্যাল কোনও ব্যাপারেই তাঁর পরামর্শও নেওয়া হয়নি। এমনকি টিম হোটেলে তাঁর জায়গাও হয়নি। প্রকাশ্যে ক্ষোভ না জানালেও বেশ অভিমানী হয়ে পড়েছিলেন এই ব্রাজিলীয় ফুটবলার। কিন্তু কখনও দলকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাননি ‘টিমম্যান’ ব্যারেটো। এবার তাঁকে দলের সঙ্গে রাখা হবে না, এমন সিদ্ধান্তও আগেই নিয়ে ফেলেছেন অ্যাটলেটিকোর কর্তারা। লোকমুখে সেসব কথা শুনেছেন, কষ্ট পেয়েছেন ‘সবুজ তোতা।’
তাই মুম্বই থেকে প্রস্তাবটা আসার পর সেখানেই যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করেছেন। পরিবার নিয়ে চলেও গেছেন। রিলায়েন্সের আকাদেমির দায়িত্ব নিচ্ছেন। তারকা নয়, আপাতত বাচ্চাদের নিয়েই কাজ করতে চান। তরুণ ফুটবলারদের পাশাপাশি তিনি নিজেও কোচ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চান। আপাতত ব্যারেটোর ঠিকানা মুম্বই।
সেই ২০০০ সালে এসেছিলেন মোহনবাগানে। দু‘বার লিগ জয়ে পেছনে তাঁর অবদান অনেকটাই। ২০০৩ নাগাদ, তখনকার কর্তাদের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে ফিরে যান ব্রাজিলে। ফিরে আসেন বছর দুই পর, সেবারও অবশ্য এসেছিলেন মুম্বইয়ে, সই করেছিলেন মাহিন্দ্রায়। মাহিন্দ্রাকে জাতীয় লিগ, ফেড কাপ দুটোই এনে দিয়েছিলেন। পরের মরশুমে আবার কলকাতায় প্রত্যাবর্তন। তারপর থেকে কলকাতার সুখ দুঃখের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছেন।
খেলা ছাড়ার পর অনেকে দেশে ফিরে গেলেও তিনি থেকে গেছেন। হয়ত বাকি জীবনটাও থেকে যাবেন। তবে প্রিয় কলকাতা ছেড়ে ঠিকানা আপাতত মুম্বই। আবার ফিরে আসবেন ? হতেই পারে। এই শহরের আবেগ যে তাঁকেও ছুঁয়ে যায়। তাই আবার হয়ত ফিরে আসবেন, অন্য কোনও ভূমিকায়। কে বলতে পারে, কয়েক বছর পর মোহনবাগানের কোচের নাম ব্যারেটো হবে না!

ক্রীড়া নীতির নামে মিথ্যাচারের অভিযোগ

বেঙ্গল টাইমস - ক্রীড়ানীতি পেশ করল সরকার। দাবি করা হল, এই প্রথম কোনও রাজ্য নিজস্ব ক্রীড়ানীতি তৈরি করল। এমন দাবি করলেন আপাতত ক্রীড়া দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
কিন্তু ঘটনা হল, প্রায় ছ’ বছর আগে এই ক্রীড়ানীতি তৈরি করেছিলেন কান্তি গাঙ্গুলি। সুভাষ চক্রবর্তীর মৃত্যুর পর রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী হন কান্তি গাঙ্গুলি। বিভিন্ন খেলোয়াড়, সংগঠক, সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে তিনি চূড়ান্ত করেছিলেন ক্রীড়ানীতি। ক্যাবিনেটে তা অনুমোদন হল। বিধানসভায় আলোচনা হল। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকেও পাঠানো হল। বিষয়টি নিয়ে সরকারি স্তরে নানারকম আলোচনা হল। সেই ক্রীড়ানীতি অনুযায়ী বিভিন্ন রকম কাজও হল।
এখন সরকার দাবি করছে, তাঁরাই নাকি প্রথম ক্রীড়ানীতি তৈরি করেছেন। যদি বলতেন, আগেরটায় অনেক ভুলছিল, আমরা নতুন করে তৈরি করছি, তবু না হয় যুক্তি ছিল। কিন্তু আগে যে ক্রীনানীতি তৈরি হয়েছিল, সেই কথাটাই বেমালুম এড়িয়ে যাচ্ছেন মন্ত্রীমশাই। সেই ক্রীড়ানীতি তৈরিতে বড় ভূমিকা ছিল তখনকার ক্রীড়াসচিব রাঘবেন্দ্র সিংয়ের। তিনি এখনও এই সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ আমলা। তাঁকে জিজ্ঞেস করলেই তো বোঝা যাবে। সেই সময়ের কাগজগুলো খুলে দেখুন। স্পষ্ট বুঝতে পারবেন।
হতেই পারে, এখন যিনি মন্ত্রী, তিনি তখনকার খোঁজ রাখেননি। এমন অনেক বিষয়েই তাঁরা অজ্ঞ, তা বহুবার নানা ঘটনায় প্রমাণিত। কিন্তু যখন ক্রীড়ানীতি তৈরি করবেন বলেছিলেন, তখনই কান্তি গাঙ্গুলি আগের সেই ক্রীড়ানীতির কপি, তাঁকে ঘিরে নানারকম নথিপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। হতেই পারে, তা মন্ত্রীর পছন্দ নয়। হতেই পারে, তিনি অন্যরকমভাবে করতে চান। তাই বলে আগেরটাকে অস্বীকার করে নিজেরটাকে প্রথম বলে দাবি করতে হবে ? ‘আগে এরকম একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল’ এই সামান্য সত্যিটুকু স্বীকার করলে কী এমন ক্ষতি হয়ে যেত!
দুটো ক্রীড়ানীতিকে পাশাপাশি রাখুন। পড়লেই বোঝা যাবে, একটা দেখে আরেকটা করা হয়েছে। যাঁরা একটু পড়াশোনা ও লেখেলেখি নিয়ে চর্চা করেন, তাঁরা দুটোর ভাষা দেখলেই বুঝতে পারবেন, কতটা মিল। এর পরেও আগেরটা বেমালুম অস্বীকার করা ? নিজেকে মুর্খ ও মিথ্যেবাদী প্রমাণ করাটা কি খুব জরুরি ছিল ?
একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীকে ‘ডাঁহা মিথ্যেবাদী’ বলতে খারাপই লাগে। কিন্তু এছাড়া আর উপায় কী ? এমন নির্লজ্জ মিথ্যেবাদীরাই এ রাজ্যের মন্ত্রী। যাদের সামান্য সত্যিটুকু স্বীকার করার সৎসাহস নেই, তাঁরা চালাবেন খেলার মাঠ ? তিনি কিনা মোহনবাগানের সহ সভাপতি হতে চাইছেন!
মিথ্যে বলার শিক্ষাটা এমন রপ্ত করেছেন, সামান্য সত্যিটুকুও বোধ হয় বলতে ভুলে গেছেন। প্রতিদিন প্রমাণ করছেন, মন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতাটুকুও এঁদের নেই। খেলার মাঠ বা মন্ত্রীসভা, কোনওটাই এঁদের জায়গা নয়।