Wednesday, May 27, 2015

ফের বয়কট রাজনীতিতে ফিরল তৃনমূল ? 
অভিযোগ - পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি

@ অ বি ন  মি ত্র

"উন্নয়নে ফের রাজনীতির রঙ আনল তৃনমূল", শিলিগুরি পুর নিগমের বিষয়ে মহাকরণে মন্ত্রী দের সাথে কথা বলতে এসে এই অভিযোগ করলেন শিলিগুড়ির নবনির্বাচিত মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য।

মহাকরণের বাইরে অশোক ভট্টাচার্য। বুধবার।
আগে থেকে পত্র মারফত সময় নিয়ে রাজ্যের জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী সুব্রত মুখাজী ও পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরাদ হাকিমের সাথে দেখা করতে বুধবার মহাকরণে আসেন অশোক বাবু। কিন্তু অপেক্ষাই সার। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে এক সচিবের সাথে অল্প কিছুক্ষণ কথা বলে তিনি ফিরে যান। পরে সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর বৈঠক সেরে শিলিগুড়ি ফেরার পথে তিনি বলেন, "আমি দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী ছিলাম। সে সময়ে কলকাতা পুরসভার দরকারে মেয়র সুব্রত মুখারজী দেখা করতে এলে তাকে আমার পাশের চেয়ারে বসাতাম। ববিও কোন কাজে এলে কখনও ফেরাইনি। অথচ আজ আমি আগে থেকে সময় নিয়েই এসেছিলাম এবং ওরাও দেখা করতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু আর দেখা করলেন না। আমি শিলিগুড়ির মানুষের স্বার্থে কথা বলতে এসেছিলাম, ওনারা শিলিগুড়ি বাসীদের অপমান করলেন।"
সুব্রত মুখারজী ও ববি হাকিম। ফাইল চিত্র।
অশোক বাবুর আনা এই অভিযোগের পরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সাংবাদিকদের পুর মন্ত্রী ও জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী বলেন, এখন বিধান সভা অধিবেশন চলছে, তা আগেই অশোক বাবুকে জানান হয়েছিল। আমরা বিধাসভাতেই ছিলাম। উনি চাইলে আসতেই পারতেন। কথা বলতা্তেইএ বিষয়ে অশোক বাবু বলেন, আমাকে সময় দেওয়া হয়েছিল মহাকরণে দেখা করার জন্যই।
রাজনৈতিক মহলের মতে শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে মেয়রের সাথে দেখা করতে ইছুক ছিলেন  জনস্ব্যাস্থ কারিগরী মন্ত্রী সুব্রত মুখাজী ও পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম। কিন্তু দলনেত্রীর নির্দেশে তারা পিছিয়ে এলেন। অর্থাৎ তৃনমূল সেই বাম বয়কটের পথেই গেল। যদিও তৃনমূল সুত্রে জানান হয়েছে এদিন বিধান সভায় দিনহাটার পুর চেয়ারম্যান উদয়ন গুহের সাথে দেখা করেছেন দুই মন্ত্রী। সুতরাং বয়কটের প্রশ্নই ওঠে না। আবার সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, শিলিগুড়ির মেয়রের সাথে দেখা করলে ওই দুই মন্ত্রীর চাকরি চলে যাওয়ার ভয় আছে। তাই এই উপেক্ষা।
এর পরেও শিলিগুড়ি ফেরার আগে মেয়র অশোক বাবু বলেন, "শিলিগুড়ির মানুষের জন্য ফের আসব দেখা করতে।"

No comments:

Post a Comment