Thursday, May 28, 2015

দলনেত্রীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ মদনের

@অবিন মিত্র

আশায় ছিলেন খুব সহজেই জামিন পেয়ে যাবেন তিনি, কিন্তু আশা ভঙ্গ হতেই এবার তৃনমূল দল ও খোদ দলনেত্রীর বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন তৃনমূল সরকারের জেল বন্দী পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্র। গতকাল উডবার্ন ওয়ার্ডে তার দায়িত্বে থাকা হাসপাতাল কর্মী দের সামনেই ক্ষোভ উগ্রে দেন তিনি।

মদন মিত্র। ফাইল চিত্র।
জামিন নাকচ হয়ে যাওয়ার খবর শুনে তিনি চীৎকার করে বলতে থাকেন ‘‘কুণালের মতো আমাকেও বলি করা হচ্ছে।... কোথায়, কী বোঝাপড়া হয়েছে— সবই আমার জানা আছে।’’ এর পরেও টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন ‘‘দলনেত্রীর উপরে অগাধ আস্থা রাখারই ফল পাচ্ছি। সবাই বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি জেলে পচছি।’’ হাসপাতাল কর্মীরা তাকে থামানর চেষ্টা করলেও তিনি বলতে থাকেন ‘‘এত দিন জেলে রয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর কথা না হয় বাদ দিচ্ছি, এক জন মন্ত্রীও আসেনি দেখা করতে! কেউ ফোন করেও বড় একটা খবর নেয় না। সবাই কি ভয় পেয়ে গেল? মনে করছে, মদনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সিবিআই ডাকতে পারে?’’ এরপর ব্যাঙ্গ করে তিনি বলেন ‘‘জেল থেকে বেরোলে তো ওরাই নানা সাহায্য চাইতে আসবে।’’ রাজনৈতিক মহলের মতে এরকম ঘটনা ঘটাই স্বাভাবিক দীর্ঘদিন বন্দী থাকার পর। যদিও মন্ত্রীর আইনজীবী নীলাদ্রি ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমার মক্কেলকে এ রকম তিরিক্ষি মেজাজে কখনও দেখিনি।’’
রাজসাক্ষী কে ? 
সিবিআইয়ের নজরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট


@অ বি ন  মি ত্র
আবারও বোধহয় নাটকীয় মোড় নিতে যাচ্ছে সারদা তদন্ত। সূত্রের খবর, নতুন করে গা ঝাড়া দিতে চলেছে সিবিআই। জুন-জুলাইয়েই সম্ভবত ডাকা হবে তৃণমূলের একাধিক নেতা মন্ত্রীকে। কয়েকজনের গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে। ফের ডাকা হতে পারে মুকুল রায়কেও। সিবিআই সূত্রে খবর, এক বড়সড় নেতা রাজসাক্ষীও হতে পারেন।


অপরদিকে ফের সিবিআইয়ের নজরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। এবার ব্যাঙ্কের কাছে ত্রিনেত্র লেনদেন সংক্রান্ত নথি চাইল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। একইসঙ্গে, আরও তিনটি অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে চেয়ে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ককে চিঠি দিচ্ছে সিবিআই।
 
তৃণমূলের তরফে আয়ব্যয়ের যে নথি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তার থেকে চারটি অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছে সিবিআই। এরমধ্যে একটি তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিলের অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টেই ত্রিনেত্র থেকে আসা টাকা জমা পড়েছিল।
সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ আর্থিক বছরের লেনদেনের তথ্য জানতে চেয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন, তৃণমূলের আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে আয়কর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সিবিআই।
ফেসবুকে ভাইঝি বিরোধে এগিয়ে বামেরা

#Reports_from_Wall@অবিন মিত্র

"পুলিশ ও সাংবাদিকের অশিক্ষিত এবং অর্ধ শিক্ষিত। এবার পথে পেলে পিষে মারব।" এরকমই একটি মন্তব্য কলকাতার মেয়রের ভাইঝি করেছেন বলে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক।
সম্প্রতি ওই ঘটনার পর টুইটারে মেয়রের ভাইঝির অনেক টুইটস দেখা যাচ্ছিল। ভাইঝি দেবপ্রিয়ার বহু টুইট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় সমালচনা ও বিতর্কের ঝড় ওঠে। ধিক্কার জানান অনেকে। এরপর মাঝে বেশ কিছু দিন দেবপ্রিয়ার টুইটার একাউন্ট ডি অয়াক্টিভেট করা ছিল। সম্প্রতি তার টুইটার হ্যান্ডেল আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর তার টুইট নিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হয়।
সি পি আই (এম) সমর্থক দের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা গ্রাফিক্স।
সম্প্রতি দেবপ্রিয়া নাকি টুইট করেছেন "পুলিশ ও সাংবাদিকের অশিক্ষিত এবং অর্ধ শিক্ষিত। এবার পথে পেলে পিষে মারব" এমন একটি মন্তব্য। এক মহিলার সাথে কথোপকথনে নাকি উঠে এসেছে তার এই মন্তব্য। এমনই দাদি করা হচ্ছে ফেসবুকে সি পি আই (এম) সমর্থক দের একটি পেজ থেকে। দেবপ্রিয়ার টুইট এর স্ক্রিন শট নিয়ে গ্রাফিক্স করে তার মন্তব্য গুল বাংলায় পোস্ট করা হয়েছে ওই গ্রুপ থেকে। সাথে ব্যাঙ্গ করা বলা হয়েছে - ছোট খুকি বলে অ, আ, শেখেনি সে কথা কওয়া।  প্রশ্ন করা হয়েছে - মুখ্যমন্ত্রীর উস্কানিতেই কি এই বেপ্রয়া আস্ফালন বাচ্চা মেয়েটির ? আর তাতেই সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। ২৬২ টা লাইক, ৬৬ টা শেয়ার আর কমেন্ট এর ঝড় বয়ে গেছে।
এই ঘটনা নিয়ে বিরধী বিজেপি ও কং খানিকটা ফেসবুক এ ঝড় তুলতে চেষ্টা করলেও তা এখন স্তিমিত।
যদিও এই ঘটনার ব্যাপারে তৃনমূল সমর্থক দের ফেসবুক পোস্ট তেমন ভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি।