ধর্ষকের হুমকিতে আত্মহত্যা ধর্ষিতার : তীব্র উত্তেজনা কালিয়াগঞ্জে
ধর্ষণে অভিযুক্তর হুমকিতে নিগৃহীতার আত্মহত্যার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার বাঘন-বটতুলি গ্রামে। পলাতক মূল অভিযুক্ত। অভিযোগকারিণী সাক্ষ্যদান করে আদালত থেকে বেরোনোর পর ওই অভিযুক্তর শাসানি ও অপমানের জেরেই আত্মহত্যা, দাবি পরিবারের।
![]() |
| প্রতিকি ছবি। |
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর। কালিয়াগঞ্জ থানার বাঘন-বটতুলি গ্রামের বাসিন্দা ওই অভিযোগকারিণী কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে তার প্রতিবেশী শ্রীমান সরকারের বিরুদ্ধে। প্রথমে গ্রামে সালিশি সভা করে টাকা-পয়সার বিনিময়ে মিটমাট করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় নিগৃহীতাকে। তারপর থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে, ওই যুবকের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়। এরপর ওই যুবক জামিনে মুক্ত হয়ে যান। এরপর কেটে যায় প্রায় দেড় বছর। শনিবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতে ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাক্ষ্যদান করতে যায় ওই কিশোরী। অভিযোগ, সাক্ষ্যদান করে পরিবারের সঙ্গে ওই কিশোরী আদালতের বাইরে আসা মাত্রই তার উপর দলবল নিয়ে চড়াও হয় অভিযুক্ত শ্রীমান সরকার। সকলের সামনেই গালি-গালাজ করে অভিযোগকারিণীকে।
মৃতের পরিবারের দাবি, অপমানের জন্যই বাড়ি ফিরে এসে গলায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই কিশোরী। পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে রায়গঞ্জ থানায়। পলাতক অভিযুক্ত শ্রীমান সরকার। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের অভিযোগ অব্যাহত। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবায় কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ৩ যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার হয় ৪জন অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার গণধর্ষণের অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে। গ্রেফতার হয় ৩জন। এই পরিস্থিতিতে ধর্ষণের অভিযোগকারিণীর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে মহিলাদের নিরাপত্তা।

No comments:
Post a Comment